Logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
শ্বেতদ্রোণ

শ্বেতদ্রোণ

Desk | আপডেট : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১০:৫৬
শ্বেতদ্রোণ

শ্বেতদ্রোণ( Wite Verticilla) একটি ঝোপালো উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Leucas aspera। প্রচলিত নাম দন্ডকলস, দুলফি শাক, দল কলস, ধুবরি, দোর কলস, কান শিশা, কাউন শিশা, ধুরপ শাক।  শ্বেতদ্রোণ বহুবর্ষজীবি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর শিকড় মাটির ৪/৫ সে.মি. গভীরে যায়। হাত দিয়ে টান দিলে সহজে ওঠে আসে দেহ গাঢ় সবুজ। অসংখ্য গিট বা পর্বে সমস্ত কান্ডে থাকে। কানণ্ড শক্ত ফুল অবৃন্তক। প্রতিটি গিট থেকে দু’পাশে বিপ্রতীপভাবে শাখা প্রশাখা বের হয়। পাতা সরল। পাতার বোটায় দু’টি পত্রিকা থাকে। পাতা লম্বায় ৪ থেকে ৭ সে.মি.লম্বা,চওড়া ১ সে.মি.।পর্ব থেকে পাতা ৪০ সে.মি.লম্বা হয়ে থাকে। মাছির চোখের মত ফুলের মঞ্জুরীতে অনেক গুলো সাদ ফুল থাকে। ফুল গুলোর গোড়ায় মধু থাকে। বাচ্চরা সে মধু খেতে পচন্দ করে। বীজের মাধ্যমে শ্বেদ্রেণের বংশ বিস্তার। মার্চ এপ্রিলে ফুল ফোটে। আগষ্ট মাসের মধ্যে বীজ পরিপক্ক হয়। অক্টোবর নভেম্বরে বীজ থেকে চারা গজায়। এই গাছ বাংলাদেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। এই গাছের ভেষজ গুনাগুণ রয়েছে।

পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০গ্রাম শ্বেতদ্রোণে আছে এনার্জি ১৬ কিলোক্যালোরি, শর্করা ৩.৪ গ্রাম,  ফ্যাট ০.১ গ্রাম,  প্রোটিন ১.৩ গ্রাম, ফলেট ১২মাইক্রোগ্রাম,  ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন) ০.০৪৭ মিলিগ্রাম, ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন) ০.১১২ মিলিগ্রাম,  ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন) ০.৪৮০ মিলিগ্রাম,  ভিটামিন- বি-৬: ০.০৭৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন- সি: ২১ মিলিগ্রাম,  ভিটামিন- এ ১৩.২।

উপকারিতাঃ

১। শ্বেতদ্রোণ গাছের পাতা হালকা গরম করে সেবন করলে ঠান্ডা জনিত সমস্যা ভালো হয়।

২। শ্বেতদ্রোণ গাছের পাতা থেঁতো করে হালকা গরম করে মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে কাশি ভালো হয়।

৩। শ্বেতদ্রোণ কান্ড শুকিয়ে চূর্ণ করে মধুর সাথে মিশিয়ে চেটে খেলে কৃমি ভালো হয়।

৪। শ্বেতদ্রোণ গাছের পাতা সিদ্ধ করে হালকা গরম করে খেলো পেটফাঁপা ও হজমজনিত সমস্যা ভালো হয়।

৫। পোকামাকড়, সাপ ও বিছা কামড় দিলে শ্বেতদ্রোণ গাছের পাতা ও মূল পিষে লাগালে ব্যথা কমে যায়।

উপরে